Skip to main content

ধিক্কার !!



গত কয়েকদিন থেকে বুকে পাথরচাপা দিয়ে আছি। মনের মধ্যে দুরন্ত স্পৃহা কিছু লিখি। কিন্তু লিখতে গেলেই ঘেন্না, ঘৃণায় ভরে ওঠে অন্তর। এ কোন বিশ্বে আছি আমরা ? কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে মনুষ্যত্ব ? গত ৮০০ বছরে ১০০% থেকে ৮%-এ গিয়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশের হিন্দু জনসংখ্যার হার। বাকি ৯২ শতাংশ সংখ্যাগুরুর সামনে এঁদের অবস্থা অনেকটা বেড়ালের সামনে ইঁদুর ছানার মতো। অথচ কতটা জঘণ্য, নৃশংস, দুরভিসন্ধিমূলক এবং অসৎচরিত্র হলে মুষ্টিমেয় সংখ্যাগুরুর উপর এমন জিঘাংসাপরায়ণ হতে পারে এই ধর্মের ধ্বজাধারী সংখ্যাগুরুর দল তা ভাবলেও শিউরে ওঠে গা। এতদিনে রক্তলোলুপ হয়ে উঠেছে এরা। আর এদের আটকানো যাবে না। ক’জন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে এসব আটকানো যাবে ? মানুষ তো দূরের কথা পশুরও অধম হয়ে গেছে এরা।
ডিসকভারি চ্যানেলে একবার দেখেছিলাম এক ক্ষুধার্ত বাঘ যখন শিকারের সন্ধানে গভীর জঙ্গলে ঘুরছিল তখন হঠাৎ করে এক ছোট্ট হরিণশিশু তার সামনে এসে পড়ে। বাঘের মুখে হরিণশিশুটির চলে যাওয়া যখন ছিল সময়ের অপেক্ষা মাত্র তখন দেখা গেল কিছুক্ষণ হরিণশিশুটিকে নিয়ে খেলা করে বাঘটি অন্যদিকে চলে গেল আর হরিণশিশুটি মনের আনন্দে খেলতে খেলতে অন্যদিকে চলে গেল। বনের পশুরও বিবেকে বাঁধছিল অসহায়ের উপর আক্রমণ করতে। মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু জনগন বাংলাদেশের সংখ্যাগুরুর সামনে সেই হরিণশিশুটিরই মতো অসহায়। কিন্তু রেহাই পেল না তাঁরা বছরে একবার মাত্র উৎসবে মেতে ওঠার অপরাধ থেকে। কীসের এত ভীতি ? কীসের এত ঘৃণা ? ধর্মরক্ষার ভয় ? ধর্ম কি এতই ঠুনকো তাদের ?
বাংলাদেশের হিন্দু জনগণের সপক্ষে আমাদের কতটুকু কী করার আছে একমাত্র প্রতিবাদ, অনুশোচনা ও দুঃখপ্রকাশের বাইরে ? এসব মেমোরেণ্ডাম ইত্যাদি লিখে কিছুই হবে না। দেশনায়ক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রসংঘ কেউই কিছু করবে না। করতে পারবে না। প্রটোকল এমনই। মুষ্টিমেয় মানুষের জন্য একটা দেশের উপর কেউ আক্রমণও করবে না। তাই তো এমন ঘটনা আজ নতুন নয়, আগেও ঘটেছে আর পরেও যে ঘটবে না এমন দিব্যি কে দেবে ? দুর্ভাগ্য এঁদের যে সময় থাকতে এঁদের পূর্বপুরুষরা দেশত্যাগ করেননি। আজ তার প্রায়শ্চিত্ত করছেন উত্তরপুরুষরা। এঁদের দুঃখ দুর্দশা দেখে আমাদের চোখের জল ফেলা ছাড়া করার কিছুই নেই। এটাই বাস্তব সত্য এবং তাঁদের ভবিতব্য।
তবে এই সুযোগে আমাদের চারপাশটাও একবার দেখে নেওয়া ভালো। এদেশে প্রায় ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু। কোটির হিসেবে জনসংখ্যা। কিন্তু সংখ্যালঘুর উপর এমন সামূহিক অত্যাচারের নিদর্শন নেই। তবু কিছু সেলিব্রিটি আছেন তাঁদের ভাষায় এ দেশ নাকি নিরাপদ নয়। অভিনয় টভিনয় করে দিব্যি কেতায় বেঁচে আছেন খেয়ে পরে অথচ দেশের উপর মিথ্যা বদনাম রটিয়ে যাচ্ছেন অহরহ। তবু তাঁরা অত্যাচারিত নন। আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন কত পণ্ডিত, কত বুদ্ধিজীবি উপজীবী লোকজন। এঁরা নিজেদের হিন্দু বলতে লজ্জা অনুভব করেন। এতে নাকি ধর্মনিরপেক্ষতা বিনষ্ট হয়। অথচ মৃত্যুর পর এদের দাহ সংস্কার এবং শেষকৃত্য সেই হিন্দু ধর্মমতেই হয়। জীবিত কালে হিন্দুদের উপর এসব অত্যাচারের প্রতিবাদ কস্মিন কালেও এদের কলম বা মুখ থেকে বেরোয় না। এরা নিজেদের গা বাঁচিয়ে ভবের ঘরে সুখের নিদ্রা যান আর দেশের খেয়ে, দেশের পরে দেশের নিন্দায় পঞ্চমুখ হন। দেশের প্রতি ভক্তিভাব প্রকাশ করলে কিংবা নির্বাচিত দেশনায়কের সমর্থনে কথা বললে এরা তাঁদের ‘অন্ধ ভক্ত’ বলে বিদ্রুপ করে। ভক্তি এদের মজ্জায় নেই, তাই ভগবৎ ভাবও নেই। এর আগে বাংলাদেশের এসব প্রত্যেকটি ঘটনাকে এরা ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করে গেছে বার বার। রাজনৈতিক অস্থিরতা, স্থানীয় ইস্যু, ব্যক্তিগত আক্রোশ ইত্যাদি বাহানায় এরা সংখ্যাগুরু মুসলিমদের সপক্ষে একশোটা যুক্তি খাড়া করেছে। অথচ ভাবতে আশ্চর্য লাগে যে এদেরই পূর্বপুরুষ কিন্তু এই ধর্মীয় বিভাজন, অত্যাচার ও নিগ্রহের ভয়ে দেশান্তরী হতে বাধ্য হয়েছিলেন একদিন। আজও নির্লজ্জের মতো ওদেশে গিয়ে পিতৃপুরুষের ছেড়ে আসা ভিটের দাওয়ায় বসে কপাল চাপড়ে কেঁদেকেটে ছবি উঠে শেয়ার করে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক মিথ্যাচারের অনুসারী হয়ে এরা মিথ্যের বেসাতি করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। প্রায়ই এরা বলে থাকে এদেশে নাকি বাক স্বাধীনতা নেই। আসলে এতদিন এরা অবাধে মিথ্যে কথা প্রচার করে এসেছে। এবার যখনই প্রতিবাদ হতে শুরু করেছে তখনই বলছে বাক স্বাধীনতা নেই। দেশকে এরা দেশ বলতে লজ্জা পায়, বলে দ্বেষ কিংবা রাষ্ট্র। মিথ্যে ইতিহাসে এরা বিকৃত করেছে প্রকৃত সত্য। আজোও এরা মিথ্যের বেসাতি করে সামাজিক মাধ্যমে।
এবার কিন্তু সব জারিজুরি শেষ হয়ে গেছে। মেক আপের আর কিছু খুঁজে পায়নি। দিনের আলোর মতো অপকর্মের বিরুদ্ধে বলার মতো আর কিছুই এরা খুঁজে পায়নি। গোটা দেশ জুড়ে যে অবাধ হত্যালীলা, লুঠ, ধর্ষণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার ছবি প্রদর্শিত হলো তার কোনও জবাব আর নেই এদের মুখে তাই এরা নীরবতাকেই অবলম্বন করে আছে। আমাদের উচিৎ আজকের দিনে সামাজিক মাধ্যমে নীরব এই কুচক্রীদের চিহ্নিত করে এদের একঘরে করে রাখা। কারণ ভবিষ্যতে এদের হাত ধরেই বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে এদেশেও। পার্শ্ববর্তী দেশের এই যে হাল তার গোড়ায় আছে সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘুর হিসেব। সেই হিসেব কিন্তু রাজনীতির কারবারিদের সৌজন্যে অনর্গল বইছে আমাদের পার্শ্ববর্তী কিছু রাজ্যেও। এবং এ রাজ্যেও শতাংশের হার ধীরে হলেও সেই পথেই ধাবমান। অতএব সাধু সাবধান।
এত সবের পরেও প্রদীপ পুরোপুরি নিভে যায়নি হয়তো। সর্বশক্তিমানের কৃপায় শুভ বুদ্ধির উদয় হতেও পারে। অন্তত এমন আশা নিয়েই তো বেঁচে থাকা। সেই বেঁচে থাকার আলো দেখাচ্ছেন কিছু শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। এঁরা আছেন বলেই হয়তো মানবিকতা তলানিতে থাকলেও মানুষ নিঃশেষ হয়ে যায়নি পৃথিবী থেকে। উভয় দেশের ধর্ম নির্বিশেষে কিছু মানুষ অকুতোভয় হয়ে নিন্দা জানাচ্ছেন এই জঘণ্য কাজের। কাজী নজরুল, লালন ফকির, হাসন রাজা, শাহ আব্দুল করিম, সৈয়দ মুজতবা আলির সূত্র ধরে তসলিমা নাসরিন এর কলম তাই গর্জে ঊঠে শাণিত ছন্দে। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের তালিকায় নাম লিখিয়ে প্রতিবাদ সাব্যস্ত করেন আমাদের কাছের গল্পকার আদিমা মজুমদার। ‘হরেকৃষ্ণ হরে রাম’ নামের গল্পে তিনি তাই লিখেন - “দিঘি থেকে উঠে এসে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়াই। মামার ঘরের চারপাশে এলোমেলো পায়ে এদিক ওদিক ছুটতে থাকি। আসাম টাইপ ঘর। - - - - - - দক্ষিণ দিকে আরেকটি ছোট ঘর। খেলাঘরের মতো। - - - - - উৎসুক হয়ে ঘরের কাছে যাই। কী যেন লেখা দরজার উপরে, মাতৃভাষা বাংলায়। ঘন রঙ দেওয়া হয়েছে। তবু লেখাগুলো স্পষ্ট বুঝা যায়। ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’। লেখাটির উপর আমার চক্ষু কতক্ষণ স্থির ছিল বলতে পারবো না। বুকটা ধুকধুক করতে থাকে। এ যে ঠাকুর ঘর ছিল। শকড হয়ে যাই। ঝর ঝর করে জল পড়তে থাকে আমার চোখ থেকে। তুলসী বেদীতে দেখি কামরাঙা মরিচের গাছ। জীবনে এমন বিষদৃশ্য কখনো দেখিনি। - - - - - আহা, কোন হিন্দু লোকের বাড়ি ছিল, কত কষ্ট করে ঠাকুর ঘরটা পাকা করেছিল। - - - - - দেশ ভাগের সময় মুসলমানরা হিন্দুর বাড়ি দখল করেছে শুনেছি, কিন্তু বিশ্বাস করতে পারিনি। আজ নিজের চোখে দেখে নিজেকেই ধিক্কার দেই।
শুভ বোধ এখনো আছে বলেই জীবন আছে শত দুঃখ সহ্য করে। আজ এই দুঃসময়ে প্রাণের মাঝে বিষাদ ব্যথা বাজে অহরহ। অতীত ফিরবে না জানি। অন্তত এতটুকু আশা নিয়েই বেঁচে থাকা যে ভবিষ্যৎ যেন সৃষ্টি করে মানবতার কর্ষণভূমি, বধ্যভূমি নয়। হাতে হাত মিলুক প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতায় আর সচেতন হতে হবে মেকি ধর্মনিরপেক্ষ আর মিথ্যের বেসাতি করা নিকৃষ্ট নাগরিকদের থেকে। পাহাড়সম ধিক্কার বর্ষিত হোক সেইসব নরপিশাচদের উপর, উগ্র মৌলবাদীদের উপর যারা অপবিত্র করলো ২০২১ সালের বাংলাদেশের শারদীয় দুর্গোৎসবকে।

Comments

Popular posts from this blog

গুয়াহাটিতে বিদ্বৎসমাজের দেশ, ধর্ম ও সমাজ ভাবনা বিষয়ক আলোচনা সভা

সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী।     মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...

প্রতিবাদী শরৎ

এ কেমন শরৎ এল এবার ? বর্ষা শেষের পক্ষকাল আগে থেকে চারপাশ জুড়ে যে অস্থিরতার সূত্রপাত তা এসে নতুন করে প্রকাশিত হল শরতের সূচনায় । বাংলাদেশের পর পশ্চিমবঙ্গে । এমন শরৎ আগে দেখিনি কখনও । আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের জন্য শরতের এক অন্যরকম মাহাত্ম্য । পেঁজা তুলোর মেঘের ফাঁকে ফাঁকে একদিকে যেমন রংবেরং - এর ঘুড়ি ওড়ে আকাশে অন্যদিকে তেমনই শিশিরসিক্ত সকালের ঘাসবনে লুটিয়ে পড়ে রাতের বৃন্তচ্যুত শিউলি মা দুর্গার চরণপথে । দিকে দিকে এক গন্ধমাতন আলোড়ন । নদীচরে , পাহাড়ের ঢালে গুচ্ছ কাশের দোলায় দোলে ওঠে অঙ্গ । কাশের বনে খেলে বেড়ায় নব্যদুর্গারা।   আলোড়ন মনাকাশ জুড়েও । মাতন মনন জুড়েও । দোলন আবালবৃদ্ধের অঙ্গে অঙ্গে । আকাশে বাতাসে কান পাতলে , চোখ রাখলেই মাতৃমুখ - মননসুখ । মা আসছেন । দুর্গতিনাশিনী মা । বরাভয় হাতে তিনি ঘুচিয়ে দেবেন যত দুঃখশোক । অসুরশূন্য হবে এ পৃথিবী । প্রতিবারই এভাবে শরৎ আসে পৃথিবীর বুকে , প্রতিবারই আমরা এমনই ভাবনায় ডুবে থেকে এমনই কল্পনায় করি দিনাতিপাত । অথচ চোখের সামন...

নিবেদিত সাহিত্যচর্চার গর্বিত পুনরাবলোকন - ‘নির্বাচিত ঋতুপর্ণ’

সাধারণ অর্থে বা বলা যায় প্রচলিত অর্থে একটি সম্পাদনা গ্রন্থের মানে হচ্ছে মূলত অপ্রকাশিত লেখা একত্রিত করে তার ভুল শুদ্ধ বিচার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সম্পাদনার পর গ্রন্থিত করা । যেমনটি করা হয় পত্রপত্রিকার ক্ষেত্রে । অপরদিকে সংকলন গ্রন্থের অর্থ হচ্ছে শুধুই ইতিপূর্বে প্রকাশিত লেখাসমূহ এক বা একাধিক পরিসর থেকে এনে হুবহু ( শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংশোধনসাপেক্ষে ) একত্রীকরণ । সেই হিসেবে আলোচ্য গ্রন্থটি হয়তো সম্পাদনা গ্রন্থ নয় , একটি সংকলন গ্রন্থ । বিস্তারিত জানতে হলে যেতে হবে সম্পাদক ( সংকলক ) সত্যজিৎ নাথের বিস্তৃত ভূমিকায় । পুরো ভূমিকাটিই যদি লেখা যেতো তাহলে যথাযথ হতো যদিও পরিসর সে সায় দেয় না বলেই অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো এখানে - ‘ সালটা ১৯৯০ । ‘ দৈনিক সোনার কাছাড় ’- এ একবছর হল আসা - যাওয়া করছি । চাকরির বয়স হয়নি তাই চাকরি নয় , এই ‘ আসা - যাওয়া ’ । …. হঠাৎ করেই একদিন ভূত চাপল মাথায় - পত্রিকা বের করব । ‘… সেই শুরু । অক্টোবর ১৯৯০ সালে শারদ সংখ্যা দিয়ে পথচলা শুরু হল ‘ঋতুপর্ণ’র। পরপর দুমাস বের করার পর সেটা হয়ে গেল ত্রৈমাসিক। পুরো পাঁচশো কপি ছাপাতাম ‘মৈত্রী প্রকাশনী’ থেকে।...