যে মেয়েটি পথ
হাঁটে রোজ
আমি তার চলার পথে বিছিয়ে রাখি
সুরভিত গুচ্ছ কুসুমদল।
পথের শেষে যে কণ্টক
ওত পেতে আছে বসে
সে কাঁটা ওপড়ে ফেলে এগোয় মেয়ে,
কুসুমগন্ধা নবমী রাতের চাঁদ হয়ে
জ্যোৎস্না ছড়ায় চরাচরে।
চোখে তার আগুনপাখির ছটা
হাতে তার পরশুরামের কুঠার
যেন বীর লাচিতের উদ্যত তরবারি।
পথ পেরিয়ে মেয়ে চৌকাঠে রাখে পা
উৎকণ্ঠার প্রহর শেষে রোজ
আমার শীতল অঙ্গে ঝরঝর বয়ে যায়
আঁধার বিদীর্ণ স্বস্তির সুধাবারি।
আমি তার চলার পথে বিছিয়ে রাখি
সুরভিত গুচ্ছ কুসুমদল।
পথের শেষে যে কণ্টক
ওত পেতে আছে বসে
সে কাঁটা ওপড়ে ফেলে এগোয় মেয়ে,
কুসুমগন্ধা নবমী রাতের চাঁদ হয়ে
জ্যোৎস্না ছড়ায় চরাচরে।
চোখে তার আগুনপাখির ছটা
হাতে তার পরশুরামের কুঠার
যেন বীর লাচিতের উদ্যত তরবারি।
পথ পেরিয়ে মেয়ে চৌকাঠে রাখে পা
উৎকণ্ঠার প্রহর শেষে রোজ
আমার শীতল অঙ্গে ঝরঝর বয়ে যায়
আঁধার বিদীর্ণ স্বস্তির সুধাবারি।
Comments
Post a Comment