অপাংক্তেয় ভোলানাথ
জমকালো সব পদ্য লিখে দুর্গা পূজেন কবিগণ।
অঙ্গ শোভায় সাজায় দুর্গা সঙ্গে লক্ষ্মী সরাই সব
কার্তিক আর গনশা সাজেন কবির কলম গায় আজব।
মোক্ষ লাভের আশায় কবি করেন দুর্গা বন্দনা
ঘরের মেয়ে উমার ছলে এ কারসাজি মন্দ না।
কিন্তু এমন সুখের দিনে অপাংক্তেয় ভোলানাথ
খবর রাখেন ক'জনা তাঁর তিনিই কিন্তু বিশ্বনাথ।
গগনচুম্বী
দুর্গা গড়ে
কুমোর কুড়োয় বাহবা
করযোড়ে ভক্ত সারি লুটায় পথে কেহ বা।
লক্ষ টাকার মূর্তি পরে একচিলতে কোনায় ঠাই
তাতেই তৃপ্ত ভোলা শংকর মিটছে দায় তো আর কী চাই ?
আগমনির আগমনের
ঢাকে কাঠি পড়ল যেই
মর্ত্যলোকের সব ভোলারা তৎক্ষণাৎ যে হারায় খেই।
কী করে যে ফুটবে হাসি আপন জনের মুখখানায়
মাথার উপর গন্ধমাদন কী করে যে মেটায় দায়।
আকাশ বাতাস মেতেছে আজ হৈ-হুল্লোড় রঙ বাহার
কেউ জানে না নেপথ্যে কোন স্বেদ বিন্দু ঝরছে কার।
ব্যর্থ কবির ছন্দে ভাষায় নানান রূপে আসেন মা
কিন্তু সুখের আকর ভোলা কবির চোখে ভাসেন না।
মর্ত্যদুর্গা
নৃত্যরতা সসন্তানে উল্লাসে
অলক্ষ্যে রয় নীলকণ্ঠ সংসারে আর কৈলাসে।
কার্তিক আর গনশা সাজেন কবির কলম গায় আজব।
ঘরের মেয়ে উমার ছলে এ কারসাজি মন্দ না।
খবর রাখেন ক'জনা তাঁর তিনিই কিন্তু বিশ্বনাথ।
করযোড়ে ভক্ত সারি লুটায় পথে কেহ বা।
তাতেই তৃপ্ত ভোলা শংকর মিটছে দায় তো আর কী চাই ?
মর্ত্যলোকের সব ভোলারা তৎক্ষণাৎ যে হারায় খেই।
মাথার উপর গন্ধমাদন কী করে যে মেটায় দায়।
কেউ জানে না নেপথ্যে কোন স্বেদ বিন্দু ঝরছে কার।
কিন্তু সুখের আকর ভোলা কবির চোখে ভাসেন না।
অলক্ষ্যে রয় নীলকণ্ঠ সংসারে আর কৈলাসে।
Comments
Post a Comment