সম্মিলনীর শতেক গাথা
কোথাকার কোন যে শহর
কবেকার কোন সে গাথা
ভেবে যাই অহর্নিশি
জমে যায় শুধুই ব্যথা।
সুদূরের সুজন সবাই
তেঁতুলের পাতায় ন'জন
হৃদয়ের একাত্মতায়
গেঁথে যান মালার বুনন।
ঝুঁকিতে ভরণপোষণ
চকিতে স্বজন হারা
জীবিকার এষণ শেষে
মিলনের পাগল পারা।
মননের নেশায় বিভোর
কতিপয় তরুণ যুবা
ক্ষণিকের মিলন মেলায়
করে পণ দুঃস্থ সেবা।
পিদিমের আলোয় তখন
ইতিহাস হচ্ছে লিখা
তুফানের জোর সে যতই
আজো তার জ্বলছে শিখা।
পোড়া ঘর যেমন গরুর
সিঁদুরে মেঘের হানা
করে সব তুচ্ছ তেমন
খুঁজে নেয় এক আস্তানা।
মাটি নেই পায়ের তলায়
মনে সাধ কেতায় বাঁচা
আজিকার স্বপন ভুলে
আগামীর দিনটি রচা।
দিবস আর মাস পেরিয়ে
বছরের চিন্তাধারায়
স্বপনের মিলন মেলা
পুরু হয় আপন ধারায়।
বছরের পর বছরে
আগুয়ান তরতরিয়ে
দশকের পর দশকে
বাধা সব দূর সরিয়ে।
কত সব ঝঞ্ঝা তুফান
গায়ে তার আছড়ে পড়ে
লড়ে যায় বীর সেনানী
যেন তার ভিত না নড়ে।
কলেবর যায় না মাপা
শতিকার দুয়ার মুখে
মননের উত্তরণে
করে কাজ দুখ আর সুখে।
মানবের দুখের বেলায়
পাশে তাঁর দাঁড়ায় এসে
সেবা আর যতন বিলায়
নিশিদিন মুচকি হেসে।
নাম তার সম্মিলনী
মিলে সব ভায়ের ভাই
মিলনের মহান মেলায়
ভেদাভেদ পায় না ঠাই।
চারা সেই মহীরুহের -
রূপে আজ উদ্ভাসিত
শেকড়ের গভীরতায়
মহীয়ান সুস্থাপিত।
স্মৃতি ভর একশো বছর
সাথে ওই পথ যে চলা
নবীনের ঐক্য ধারায়
গেঁথে যাক রঙিন মালা।
এ মিলন যাক এগিয়ে
শতিকার পর শতিকা
ধরণীর জীবন ধারায়
গেয়ে যাক জয় গীতিকা।
আজ তাঁর একশো পঁচিশ-
বছরের জোর ইতিহাস
গরবের উদযাপনের
হৃদয়ে তার প্রতিভাস।
সেদিনের সেসব স্মৃতি
ভাসে আজ মনমুকুরে
কবিতার ছন্দে ভাষায়
হৃদয়ে রাখব ধরে।
করে পার একশো বছর
উঁচু থাক বিজয় কেতন
গরবের কর্মধারা
চালু থাক চলছে যেমন।
মহরত চিন্তাধারায়
কবিতায় রাখব ধরে
করে যাই তাই প্রণিপাত
মহান ওই সন্তানেরে।
তোমাদের পথ যে ছিল
আগামীর স্বপ্নে রচা
স্বপনের সেই পথে আজ
আমাদের কেতায় বাঁচা।
সেদিনের সেই যে মনন
সবাকার চিন্তাধারা
আজ হায় কোথায় সে বা ?
আজ সব হৃদয়-হারা।
সেদিনের সম্মিলনীর
যতসব চিন্তাধারা
সে নিয়েই হাঁটছি পথে
হইনি লক্ষ্য হারা।
দুয়ারে মাহেন্দ্রক্ষণ
জোরদার উদযাপন
আশা আর অপেক্ষাতে
দোলে মন অনুক্ষণ।
কবিতার শতেক সারি
উপহার তোমায় আমার
বেঁচে থাক সম্মিলনী
গরবে বছর হাজার।
কবেকার কোন সে গাথা
ভেবে যাই অহর্নিশি
জমে যায় শুধুই ব্যথা।
তেঁতুলের পাতায় ন'জন
হৃদয়ের একাত্মতায়
গেঁথে যান মালার বুনন।
চকিতে স্বজন হারা
জীবিকার এষণ শেষে
মিলনের পাগল পারা।
কতিপয় তরুণ যুবা
ক্ষণিকের মিলন মেলায়
করে পণ দুঃস্থ সেবা।
ইতিহাস হচ্ছে লিখা
তুফানের জোর সে যতই
আজো তার জ্বলছে শিখা।
সিঁদুরে মেঘের হানা
করে সব তুচ্ছ তেমন
খুঁজে নেয় এক আস্তানা।
মনে সাধ কেতায় বাঁচা
আজিকার স্বপন ভুলে
আগামীর দিনটি রচা।
বছরের চিন্তাধারায়
স্বপনের মিলন মেলা
পুরু হয় আপন ধারায়।
আগুয়ান তরতরিয়ে
দশকের পর দশকে
বাধা সব দূর সরিয়ে।
গায়ে তার আছড়ে পড়ে
লড়ে যায় বীর সেনানী
যেন তার ভিত না নড়ে।
শতিকার দুয়ার মুখে
মননের উত্তরণে
করে কাজ দুখ আর সুখে।
পাশে তাঁর দাঁড়ায় এসে
সেবা আর যতন বিলায়
নিশিদিন মুচকি হেসে।
মিলে সব ভায়ের ভাই
মিলনের মহান মেলায়
ভেদাভেদ পায় না ঠাই।
রূপে আজ উদ্ভাসিত
শেকড়ের গভীরতায়
মহীয়ান সুস্থাপিত।
সাথে ওই পথ যে চলা
নবীনের ঐক্য ধারায়
গেঁথে যাক রঙিন মালা।
শতিকার পর শতিকা
ধরণীর জীবন ধারায়
গেয়ে যাক জয় গীতিকা।
বছরের জোর ইতিহাস
গরবের উদযাপনের
হৃদয়ে তার প্রতিভাস।
ভাসে আজ মনমুকুরে
কবিতার ছন্দে ভাষায়
হৃদয়ে রাখব ধরে।
উঁচু থাক বিজয় কেতন
গরবের কর্মধারা
চালু থাক চলছে যেমন।
কবিতায় রাখব ধরে
করে যাই তাই প্রণিপাত
মহান ওই সন্তানেরে।
আগামীর স্বপ্নে রচা
স্বপনের সেই পথে আজ
আমাদের কেতায় বাঁচা।
সবাকার চিন্তাধারা
আজ হায় কোথায় সে বা ?
যতসব চিন্তাধারা
সে নিয়েই হাঁটছি পথে
হইনি লক্ষ্য হারা।
জোরদার উদযাপন
আশা আর অপেক্ষাতে
দোলে মন অনুক্ষণ।
উপহার তোমায় আমার
বেঁচে থাক সম্মিলনী
গরবে বছর হাজার।
- - - - - - - - -
- - - - - - -
Comments
Post a Comment