Skip to main content

প্রেম > ভালবাসা > ভালো লাগার বিষয়

প্রেম > ভালবাসা > ভালো লাগার বিষয়

 

১ম প্রেম :
2007 সন মেয়ে সুচয়িতা > রুবি ( রু রুমকি + বি বিদ্যুৎ) তখন ক্লাস টু-তে সামনের দুটো দাঁত ফেলে দেওয়ার পর অনেক দিন থেকে নতুন করে উঠছে না ছাড়া বাকি সবার ভীষণ চিন্তা ওর একটাই চিন্তা নতুন স্কুলের নতুন বন্ধু বান্ধবীরা যদি ওকে দেখে হাসাহাসি করে অচিরেই সে চিন্তা দূর হলো যখন দেখা গেল সবাই একই নৌকার যাত্রী
তিনসুকিয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিবেশে শুরু হলো ওর গান শেখার পালা
পাঁচ বছর পর সুবচনী পূজা মন্দিরে উজান সাহিত্য গোষ্ঠীর এক অনুষ্ঠানে ওর প্রথম সঙ্গীত পরিবেশন এক অবিরত যাত্রার শুভ সূচনা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে বিশারদ অর্জন তথা নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে এই যাত্রার পূর্ণতা প্রাপ্তি
আমার প্রথম প্রেমের সফল সমাপন
 
২য় প্রেম :
2009 সনে ডিমাপুরের বিশিষ্ট সাহিত্যিক দেবাশিস দত্ত মহাশয়ের সৌজন্যে তিনসুকিয়ার স্বনামধন্য চিত্রকর ভানু ভূষণ দাসের সঙ্গে পরিচয় সেই সুবাদে 2010 সনে 'উজান' সাহিত্য পত্রিকায় আমার গল্প লেখার শুভারম্ভ
এরপর মুকুটে একের পর এক পালকের সংযোজন বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম ভাষা সাহিত্যিক পবিত্র সরকার মহাশয়ের হাতে আমার দ্বিতীয় ছোটগল্প সংকলনের আনুষ্ঠানিক উন্মোচন, ভাষা শহিদ দিবসে বিশিষ্ট আবৃত্তিকার সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে আমার স্বরচিত কবিতার আবৃত্তি এবং সর্বোপরি উজান আসামের একমাত্র ধারাবাহিক বাংলা ছোট পত্রিকা 'উজান' - এর পত্রিকা সম্পাদকের সম্মানজনক পদ লাভ
তিনসুকিয়া আমাকে সব কিছু দিল উজাড় করে
 
৩য় প্রেম :
কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ দশটি বছরে আমার প্রাপ্তির ভাড়ার কানায় কানায় হলো পূর্ণ একাধিক সম্মানজনক পদে কাজ করে এক বিশেষ অভিজ্ঞতা আমাকে এক আলাদা মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে যার সফল সমাপন হয়েছে বহু কাঙ্খিত পদোন্নতির মাধ্যমে
 
তিনসুকিয়ায় আমার এই ত্রিকোণ প্রেমের স্মৃতি আজীবন মানস পটে থাকবে ভাস্বর হয়ে
তিনসুকিয়ার প্রতিজন বন্ধু বান্ধবী স্বজন গুরুজন শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি তাই আমি কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ হয়ে রইলাম আজীবন

Comments

Popular posts from this blog

গুয়াহাটিতে বিদ্বৎসমাজের দেশ, ধর্ম ও সমাজ ভাবনা বিষয়ক আলোচনা সভা

সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী।     মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...

প্রতিবাদী শরৎ

এ কেমন শরৎ এল এবার ? বর্ষা শেষের পক্ষকাল আগে থেকে চারপাশ জুড়ে যে অস্থিরতার সূত্রপাত তা এসে নতুন করে প্রকাশিত হল শরতের সূচনায় । বাংলাদেশের পর পশ্চিমবঙ্গে । এমন শরৎ আগে দেখিনি কখনও । আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের জন্য শরতের এক অন্যরকম মাহাত্ম্য । পেঁজা তুলোর মেঘের ফাঁকে ফাঁকে একদিকে যেমন রংবেরং - এর ঘুড়ি ওড়ে আকাশে অন্যদিকে তেমনই শিশিরসিক্ত সকালের ঘাসবনে লুটিয়ে পড়ে রাতের বৃন্তচ্যুত শিউলি মা দুর্গার চরণপথে । দিকে দিকে এক গন্ধমাতন আলোড়ন । নদীচরে , পাহাড়ের ঢালে গুচ্ছ কাশের দোলায় দোলে ওঠে অঙ্গ । কাশের বনে খেলে বেড়ায় নব্যদুর্গারা।   আলোড়ন মনাকাশ জুড়েও । মাতন মনন জুড়েও । দোলন আবালবৃদ্ধের অঙ্গে অঙ্গে । আকাশে বাতাসে কান পাতলে , চোখ রাখলেই মাতৃমুখ - মননসুখ । মা আসছেন । দুর্গতিনাশিনী মা । বরাভয় হাতে তিনি ঘুচিয়ে দেবেন যত দুঃখশোক । অসুরশূন্য হবে এ পৃথিবী । প্রতিবারই এভাবে শরৎ আসে পৃথিবীর বুকে , প্রতিবারই আমরা এমনই ভাবনায় ডুবে থেকে এমনই কল্পনায় করি দিনাতিপাত । অথচ চোখের সামন...

নিবেদিত সাহিত্যচর্চার গর্বিত পুনরাবলোকন - ‘নির্বাচিত ঋতুপর্ণ’

সাধারণ অর্থে বা বলা যায় প্রচলিত অর্থে একটি সম্পাদনা গ্রন্থের মানে হচ্ছে মূলত অপ্রকাশিত লেখা একত্রিত করে তার ভুল শুদ্ধ বিচার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সম্পাদনার পর গ্রন্থিত করা । যেমনটি করা হয় পত্রপত্রিকার ক্ষেত্রে । অপরদিকে সংকলন গ্রন্থের অর্থ হচ্ছে শুধুই ইতিপূর্বে প্রকাশিত লেখাসমূহ এক বা একাধিক পরিসর থেকে এনে হুবহু ( শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংশোধনসাপেক্ষে ) একত্রীকরণ । সেই হিসেবে আলোচ্য গ্রন্থটি হয়তো সম্পাদনা গ্রন্থ নয় , একটি সংকলন গ্রন্থ । বিস্তারিত জানতে হলে যেতে হবে সম্পাদক ( সংকলক ) সত্যজিৎ নাথের বিস্তৃত ভূমিকায় । পুরো ভূমিকাটিই যদি লেখা যেতো তাহলে যথাযথ হতো যদিও পরিসর সে সায় দেয় না বলেই অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো এখানে - ‘ সালটা ১৯৯০ । ‘ দৈনিক সোনার কাছাড় ’- এ একবছর হল আসা - যাওয়া করছি । চাকরির বয়স হয়নি তাই চাকরি নয় , এই ‘ আসা - যাওয়া ’ । …. হঠাৎ করেই একদিন ভূত চাপল মাথায় - পত্রিকা বের করব । ‘… সেই শুরু । অক্টোবর ১৯৯০ সালে শারদ সংখ্যা দিয়ে পথচলা শুরু হল ‘ঋতুপর্ণ’র। পরপর দুমাস বের করার পর সেটা হয়ে গেল ত্রৈমাসিক। পুরো পাঁচশো কপি ছাপাতাম ‘মৈত্রী প্রকাশনী’ থেকে।...