গাঁয়ের ছেলে
এক যে ছিল ছোট্ট ছেলে বড্ড সরল শান্ত
পড়তে ভীষণ বাসতো ভালো সবার কথা মানতো।
মাঝে মাঝেই ঘুরতে যেতো গাঁয়ের এদিক ওদিক
ঘোরের বশে থাকতো চেয়ে ভ্রান্ত দিগবিদিক।
সোনালি ধান, ছোট্ট নদী, বিলের জলে হাঁস
বলাকা আর মাছরাঙাটা থাকতো বারো মাস।
আলের রাস্তা, বাঁশের সাঁকো, গরু মোষের পাল
ধানের খেতে হাল দেখতে উঠতো সাতসকাল।
শীমূল গাছের ফুল খেতো সব কতই শালিক ময়না
প্রজাপতির দল যেন ঠিক অতসীরই গয়না।
বনের মাঝে ভাই-বোন ফুল আপন মনে দোলে
পুকুর জলে মাছেরা সব বেড়ায় পাখনা মেলে।
সেসব নিয়েই সেই ছেলেটা থাকতো আপন মনে
পড়াশোনার অবকাশেই ছুট দিতো ফলবনে।
ভাবতো- হয়তো এমনি করেই দিনগুলো তার যাবে
কল্পনাতেও ছিল না তার - বাইরে দু’পা দেবে।
কিন্তু দিন তো যায় না এমন বাড়ছে বয়সটা
একদিন তাই সেই ছেলেকে ছাড়তে হলো গ্রামটা।
পেয়েছিল সেদিন যত দুঃখ ব্যথা কষ্ট
অন্তরে তার সেই কথাটি আজো ভাসে স্পষ্ট।
সেই ছেলে আজ বড হয়ে মস্ত কেউকেটা
কিন্তু ফিরে ফিরেই তাকায় ক্লান্ত যখন মনটা।
অতীত দিনের সেসব কথা যেন লাগে সদ্য
স্মৃতি রোমন্থনের তরেই লিখতে বসে পদ্য।
পড়তে ভীষণ বাসতো ভালো সবার কথা মানতো।
মাঝে মাঝেই ঘুরতে যেতো গাঁয়ের এদিক ওদিক
ঘোরের বশে থাকতো চেয়ে ভ্রান্ত দিগবিদিক।
সোনালি ধান, ছোট্ট নদী, বিলের জলে হাঁস
বলাকা আর মাছরাঙাটা থাকতো বারো মাস।
আলের রাস্তা, বাঁশের সাঁকো, গরু মোষের পাল
ধানের খেতে হাল দেখতে উঠতো সাতসকাল।
শীমূল গাছের ফুল খেতো সব কতই শালিক ময়না
প্রজাপতির দল যেন ঠিক অতসীরই গয়না।
বনের মাঝে ভাই-বোন ফুল আপন মনে দোলে
পুকুর জলে মাছেরা সব বেড়ায় পাখনা মেলে।
সেসব নিয়েই সেই ছেলেটা থাকতো আপন মনে
পড়াশোনার অবকাশেই ছুট দিতো ফলবনে।
ভাবতো- হয়তো এমনি করেই দিনগুলো তার যাবে
কল্পনাতেও ছিল না তার - বাইরে দু’পা দেবে।
কিন্তু দিন তো যায় না এমন বাড়ছে বয়সটা
একদিন তাই সেই ছেলেকে ছাড়তে হলো গ্রামটা।
পেয়েছিল সেদিন যত দুঃখ ব্যথা কষ্ট
অন্তরে তার সেই কথাটি আজো ভাসে স্পষ্ট।
সেই ছেলে আজ বড হয়ে মস্ত কেউকেটা
কিন্তু ফিরে ফিরেই তাকায় ক্লান্ত যখন মনটা।
অতীত দিনের সেসব কথা যেন লাগে সদ্য
স্মৃতি রোমন্থনের তরেই লিখতে বসে পদ্য।
- - - - - - - - - - - - - -
Comments
Post a Comment