পাশবিক
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে
বেশ তো তোরা চাপিয়ে দিলি
কষবি একটু হিসেব এবার
পরিবর্তে কীসব পেলি ?
এক এক করে পাঁচটি জীবন
করলি খতম সড়কিবাজ
নিদেন পক্ষে একটি জীবন
পারবি কি তুই গড়তে আজ ?
কী পেলি তুই, টাকা কড়ি ?
সোনার মুকুট, শান্তি, সুখ ?
ভেবে দেখ তোর জন্মদাতা
কী করে আজ বাঁচায় মুখ !
বীরপুঙ্গব যতই ভাবিস
তুই নিজেকে - সবই ভুল
বিধাতার ওই বিচার খানায়
তোর তরে আজ তৈরি শূল।
মানুষ মেরে হাত রাঙালি
করলি বড্ড দেশোদ্ধার
ভগবানের শেষ বিচারে
তোর তো রক্ষা নেই যে আর।
বিপ্লবের ওই কপচে বুলি
পাশবিক যে করলি কাজ
পাষণ্ড তোর কুকর্মে আজ
বনের পশু পাচ্ছে লাজ।
ঘৃণায় ঘৃণায় স্তব্ধ হোক
তোর জীবনের কালধারা
শান্তি স্বস্তি ফিরুক খানিক
তাদের - যে স্বজন হারা।
দীপাবলির প্রাক্কালে আজ
আমার ভায়ের ঘর আঁধার
কোন সুখে আজ জ্বালব বাতি
সাজাই সলতে তৈলাধার ?
ইচ্ছে জ্বালাই একটি প্রদীপ
ভায়ের ঘরের প্রাঙ্গনে
শিখাতে তার মানবতা
জাগুক ধরার অঙ্গনে।
(আসামের ধলাতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে লিখা কবিতা)
Comments
Post a Comment