আসলে আমরা কী চাই -
আমরা জানি তো ঠিকঠাক ?
এনকাউন্টারে ওরা মরেছিল
যেদিন
সেদিনও আমরা আঙুল তুলেছি,
বিচার সভায় ফাঁসির হুকুম
হয়েছে যেদিন
সেদিনও আমরা আঙুল তুলেছি।
মেরে ফেলার অভিযোগ
তুলেছি।
বেঁচে থাকায় এবার আমরা
আঙুল তুলছি
রক্ষণাবেক্ষণের অভিযোগ
আনছি।
আসলে আমরা মূক ও বধির
হয়েছি আজ।
ইচ্ছে করেই দু'হাতে ঢেকেছি চোখ কান।
আমরা কি আজ ফেস্টিভ হয়ে
গেছি ?
কে, কারা, কোন দিশার - অনুসন্ধানে
স্থান কাল পাত্রের অন্বেষণে
ওরা ও আমরার মগ্ন
স্বার্থপরতায়
আমরা কি আজ নেশায় উঠেছি
মেতে ?
আতস কাঁচে পাপীর
স্ট্যাটাস খুঁজতে গিয়ে
পাপকে ঘৃণা করতে কি আজ -
গেছি ভুলে ?
কেমন একটা মেকিপনায় চোখ
বাঁচিয়ে
চোখ ধাঁধানো সূর্যটাকে
পাশ কাটিয়ে
খুঁজছি না তো নকল আলোর
উৎস চাঁদে
হারানো দিন, ব্যর্থ অহংকার -
তূণীরচ্যুত জং ধরা
হাতিয়ার ?
রঘুপতি রাঘব রাজা রাম
পতিত পাবন সীতা রাম।
সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী। মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...
Comments
Post a Comment