Skip to main content

নক্ষত্রালোকে উদ্ভাসিত পত্রিকা ‘ক্যামেলিয়া’


২৬ বছরে পা রেখেছে ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকাক্যামেলিয়া বেরোয় পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিন মাস অন্তর অন্তর নিয়মিত বেরোয় কিনা জানা নেই তবে হাতে এলশারদ ১৪৩০সংখ্যাটি প্রকাশক ক্যামেলিয়া প্রকাশনীর পক্ষ থেকে কবি রাজীব ঘোষ সম্পাদক দম্পতি রাজীব ঘোষ ও কবি বর্ণশ্রী বক্সী - সেই অর্থে উত্তরপূর্বের বরাক উপত্যকা ও পশ্চিমবঙ্গের যৌথ নিবেদনও বলা যায় লিটল ম্যাগাজিন গোত্রের একটি পত্রিকার শারদ সংখ্যা কতটুকু সমৃদ্ধ হতে পারে তা আলোচ্য সংখ্যাটি না দেখলে, না পড়লে অনুধাবন করা যাবে না গর্বিত সম্পাদক তাই সম্পাদকীয়তে লিখতেই পারেন - ‘বর্তমানে বাজারি পত্রিকাগুলির সাথে বেশ কিছু লিটল ম্যাগাজিন পূজার এক-দুমাস আগেই বেরিয়ে যাচ্ছে আপনারাই বলুন এগুলি-কে কি শারদ সংখ্যা বলা যায় ? এখন লিটল ম্যাগাজিনের সম্পাদকরা নিজ নিজ জায়গায় বেশ প্রতিষ্ঠিত বা কেও (?) গোষ্ঠীর সাথে যুক্তআজ থেকে পঁচিশ বছর আগে ছাত্রাবস্থায়ক্যামেলিয়াযখন প্রকাশ করতাম তখন ভাবতে হতো বইকী এখন তো নব্য কবি সাহিত্যিকদের লেখা শারদ সংখ্যায় দেখা যায় না পত্রিকা প্রকাশ তো দূর অস্ত্ এই দায় সম্পাদকদেরও থাকে নতুন প্রজন্মকে তুলে আনার কিন্তু সম্পাদকরা ব্যস্ত থাকে বিজ্ঞাপনের চমক নিয়ে আমিই বা কতটুকু পারছি নতুন-প্রবীণের বেলবন্ধন ঘটাতে ? চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এটুকু বলতে পারি’ - একাধারে শ্লেষ, গরজ ও আভিজাত্যের প্রকাশ
এই আভিজাত্য সম্পাদকের ন্যায়সঙ্গত আভিজাত্য কেন, তা আলোচ্য সংখ্যার সূচিপত্রের দিকে চোখ রাখলেই সহজে বোধগম্য সমসাময়িক অধিকাংশ প্রতিষ্ঠিত কবি লেখকদেরই সমাগম ঘটেছে এখানে সাথে কিছু নবীন, প্রবীণ, অপেক্ষাকৃত কম নামিরাও আছেন গদ্য-পদ্য সম্বলিত ভেতরের সমাহার এতটাই বিস্তৃত ও উৎকৃষ্ট যে বিশদে আলোচনার সুযোগ নেই স্বল্প পরিসরে বস্তুত উৎকর্ষের বাইরে নেইও কিছু সুতরাং চোখ রাখা যাক অন্দরমহলে, সূচিপত্র অনুযায়ী
প্রবন্ধ বিভাগে চারজন বরেণ্য সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে পবিত্র সরকারের ‘টোকিয়োতে বঙ্গবিদ্যা’। জাপানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বঙ্গবিদ্যা সম্মেলনের এক নান্দনিক প্রতিবেদন। এরপর তপোধীর ভট্টাচার্যের ‘স্রোতের বিপক্ষে চিরকালীন সাঁতারু’ - ‘লিটল ম্যাগাজিনের প্রজাপতি ব্রহ্মা’ সন্দীপ দত্তকে নিয়ে এক আবেগময় নিবন্ধ। বর্ণশ্রী বক্‌সীর প্রবন্ধ ‘মহাশ্বেতা দেবীর গল্প - নারীর জীবন সংগ্রাম’, মহাশ্বেতা দেবীর বিভিন্ন গল্পের বিশ্লেষণযুক্ত একটি সারগর্ভ রচনা। সুভাষ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘রবীন্দ্রনাথ - দ্বিজেন্দ্রনাথ’। সুর সংগীত বিশ্বে দুই প্রতিভা-ভাস্বর দিকপালের জীবন ও সৃষ্টির নানা দিক নিয়ে এক সংক্ষিপ্ত নিবেদন।
কবিতার বিভাগ কেমন হয়েছে তা কবিদের নাম দেখেই সহজে অনুমেয়। পঠনশেষে নিশ্চিতই সঠিক ভাবে মিলে যায় সেই অনুমান। চমকে ওঠা কিছু নাম সহ যেসব কবিদের কবিতায় বিশালতায় সজ্জিত হয়েছে এই শারদ সংখ্যা, তাঁরা হলেন - মলয় রায়চৌধুরী, শঙ্কর চক্রবর্তী, নির্মলেন্দু গুন, সুবোধ সরকার, শ্যামলকান্তি দাশ, শ্রীজাত, গৌরশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়, কৃষ্ণা বসু, মন্দাক্রান্তা সেন, বীথি চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ হাসমত জালাল, আবু হাসান শাহরিয়ার, যশোধরা রায়চৌধুরী, চৈতালী চট্টোপাধ্যায়, কাবেরী রায়চৌধুরী, ধীমান চক্রবর্তী, রণজিৎ দেব, উপাসনা সরকার, মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস, অর্ণব পাণ্ডা, কাজল সেন, সুচরিতা চক্রবর্তী, বেবী সাউ, রত্নদীপা দে ঘোষ, সুনীল মাজি, বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবযানী ভৌমিক, দিশারী মুখোপাধ্যায়, সৈয়দ কওসর জামাল, বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সুদীপ্ত মাজি, রেহান কৌশিক, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, অলোক বিশ্বাস, ঋত্বিক ত্রিপাঠী, সুরঙ্গমা ভট্টাচার্য, আশিস মিশ্র, মনোনীতা চক্রবর্তী, তাপস রায়, শ্যামশ্রী রায় কর্মকার, অনুপম মুখোপাধ্যায়, অদিতি, কেকা মল্লিক, সৌমিত বসু, অনন্যা চক্রবর্তী, তিতাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মৃণালকান্তি দাশ, মাহমুদ কামাল, দেবাশীষ পলমল, জয়া গুহ, মৃন্ময় কোলে, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিতা দত্ত, রঞ্জন কুমার সরকার, রাধে ঘোষ, অর্ণব কর্মকার, পলাশ চৌধুরী, কুন্তল তেওয়ারী, দিবাকর বেরা চৌধুরী, বুলুরানী ঘোষ, সুপ্রিয়া কুন্ডু, তৈমুর খান, মনিকান্ত, সৌমজিৎ আচার্য, শ্রাবণী দে (দত্ত), তারাশঙ্কর দে, দুর্গাদাস ঘোষ, চন্দনা দত্ত, কাঞ্চন দে, সায়ন চক্রবর্তী, কবিতা বাগ (নন্দী), ধনঞ্জয় দে, অলোক কুমার মান্না, ডা. যোগ ধন মান্না, পিনাকী শঙ্কর চক্রবর্তী, অরূপ কুমার মান্না, রথীন বন্দ্যোপাধ্যায়, পিঙ্কি ঘোষ, বরুণ বিশ্বাস, তুলসীদাস ভট্টাচার্য, লক্ষ্মীকান্ত মণ্ডল, আনন্দমোহন দাস, তন্ময় মণ্ডল, অংশুমান চক্রবর্তী, ভবেশ বসু, ফুল্লরা মুখোপাধ্যায়, রথীন কর, মোনালিসা চট্টোপাধ্যায়, ঋতবৃতা মুখোপাধ্যায়, কৃষ্ণা দাস, জারা সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়, মিহির সরকার, অদিতি সেনগুপ্ত, শুভশ্রী নায়েক, সংবেদন চক্রবর্তী, জয়শ্রী সরকার, মধুমিতা ঘোষ, কাজল চক্রবর্তী, চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়, পাপড়ি গুহ নিয়োগী, বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়, রামকৃষ্ণ মহাপাত্র, নরেশ মণ্ডল, মহুয়া জানা, মৌ মধুবন্তী, ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়, শতরূপা সান্যাল, সৌমনা দাশগুপ্ত, অন্তরা সরকার, মণিশঙ্কর, দেবযানী বসু, তীর্থঙ্কর সুমিত, দেবাশিস মুখোপাধ্যায়, মধুসূদন দরিপা, অন্তরা দাঁ, তুষ্টি ভট্টাচার্য, সাতকর্ণী ঘোষ, সুবীর সরকার, সুস্মেলী দত্ত, বনশ্রী রায়দাস, তানিয়া ব্যানার্জী, শুভঙ্কর দাস, জয়দীপ চক্রবর্তী, তনুজা চক্রবর্তী, রাজীব ঘাঁটী, সুমিতা মুখোপাধ্যায়, পিয়াল রায়, নীলাব্জ চক্রবর্তী, অমর কুমার, দেবজ্যোতি দাশগুপ্ত, মধুমিতা ঘোষ, পাপড়ি ভট্টাচার্য, মন্দিরা ঘোষ, বিশ্ব বন্দ্যোপাধ্যায়, সুস্নাত জানা, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বোরহান মেহেদী ও মধুমিতা বেতাল। এই পর্বে বরাক উপত্যকা বা উত্তরপূর্বের অনুপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া সূচিপত্রে নাম আসেনি অনেকের।
গল্প বিভাগে রয়েছে তেরোটি সুলিখিত, সুপাঠ্য ছোটোগল্প। লিখেছেন যাঁরা - অমর মিত্র, তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণাঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়, নলিনী বেরা, রাজীব ঘোষ, প্রতিমা রায়, প্রগতি মাইতি, ঝুমুর পাণ্ডে, তৃষ্ণা বসাক, অনামিকা তেওয়ারী, মধুবন চক্রবর্তী, সিদ্ধার্থ সিংহ ও শ্যামলী রক্ষিত।
আকর্ষণীয় প্রচ্ছদের সৌজন্যে অতনু গাঙ্গুলি। যথাযথ বর্ণ সংস্থাপনে ‘প্রিন্টিং উদ্যোগ’। স্পষ্ট ছাপার সৌজন্যে ইন্দ্রলেখা প্রেস। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা জুড়ে একের পর এক চমৎকার রচনা পাঠককে নিশ্চিত ভাবেই নিয়ে যায় প্রার্থিত পঠনসুখে। পরবর্তী সংখ্যাসমূহে উপন্যাসের সংযোজন ঘটলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না হয়তো। সংখ্যায় কম হলেও কিছু বানান ভুল ও কিছু ছাপার ভুলের বাইরে এক কথায় এক ‘কমপ্লিট প্যাকেজ’ এ সংখ্যা ‘ক্যামেলিয়া’।

বিদ্যুৎ চক্রবর্তী

মূল্য - ১৫০ টাকা
যোগাযোগ - ৮৭৬১৯৩৩৬৬৯ 

Comments

Popular posts from this blog

গুয়াহাটিতে বিদ্বৎসমাজের দেশ, ধর্ম ও সমাজ ভাবনা বিষয়ক আলোচনা সভা

সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী।     মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...

প্রতিবাদী শরৎ

এ কেমন শরৎ এল এবার ? বর্ষা শেষের পক্ষকাল আগে থেকে চারপাশ জুড়ে যে অস্থিরতার সূত্রপাত তা এসে নতুন করে প্রকাশিত হল শরতের সূচনায় । বাংলাদেশের পর পশ্চিমবঙ্গে । এমন শরৎ আগে দেখিনি কখনও । আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের জন্য শরতের এক অন্যরকম মাহাত্ম্য । পেঁজা তুলোর মেঘের ফাঁকে ফাঁকে একদিকে যেমন রংবেরং - এর ঘুড়ি ওড়ে আকাশে অন্যদিকে তেমনই শিশিরসিক্ত সকালের ঘাসবনে লুটিয়ে পড়ে রাতের বৃন্তচ্যুত শিউলি মা দুর্গার চরণপথে । দিকে দিকে এক গন্ধমাতন আলোড়ন । নদীচরে , পাহাড়ের ঢালে গুচ্ছ কাশের দোলায় দোলে ওঠে অঙ্গ । কাশের বনে খেলে বেড়ায় নব্যদুর্গারা।   আলোড়ন মনাকাশ জুড়েও । মাতন মনন জুড়েও । দোলন আবালবৃদ্ধের অঙ্গে অঙ্গে । আকাশে বাতাসে কান পাতলে , চোখ রাখলেই মাতৃমুখ - মননসুখ । মা আসছেন । দুর্গতিনাশিনী মা । বরাভয় হাতে তিনি ঘুচিয়ে দেবেন যত দুঃখশোক । অসুরশূন্য হবে এ পৃথিবী । প্রতিবারই এভাবে শরৎ আসে পৃথিবীর বুকে , প্রতিবারই আমরা এমনই ভাবনায় ডুবে থেকে এমনই কল্পনায় করি দিনাতিপাত । অথচ চোখের সামন...

নিবেদিত সাহিত্যচর্চার গর্বিত পুনরাবলোকন - ‘নির্বাচিত ঋতুপর্ণ’

সাধারণ অর্থে বা বলা যায় প্রচলিত অর্থে একটি সম্পাদনা গ্রন্থের মানে হচ্ছে মূলত অপ্রকাশিত লেখা একত্রিত করে তার ভুল শুদ্ধ বিচার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সম্পাদনার পর গ্রন্থিত করা । যেমনটি করা হয় পত্রপত্রিকার ক্ষেত্রে । অপরদিকে সংকলন গ্রন্থের অর্থ হচ্ছে শুধুই ইতিপূর্বে প্রকাশিত লেখাসমূহ এক বা একাধিক পরিসর থেকে এনে হুবহু ( শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংশোধনসাপেক্ষে ) একত্রীকরণ । সেই হিসেবে আলোচ্য গ্রন্থটি হয়তো সম্পাদনা গ্রন্থ নয় , একটি সংকলন গ্রন্থ । বিস্তারিত জানতে হলে যেতে হবে সম্পাদক ( সংকলক ) সত্যজিৎ নাথের বিস্তৃত ভূমিকায় । পুরো ভূমিকাটিই যদি লেখা যেতো তাহলে যথাযথ হতো যদিও পরিসর সে সায় দেয় না বলেই অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো এখানে - ‘ সালটা ১৯৯০ । ‘ দৈনিক সোনার কাছাড় ’- এ একবছর হল আসা - যাওয়া করছি । চাকরির বয়স হয়নি তাই চাকরি নয় , এই ‘ আসা - যাওয়া ’ । …. হঠাৎ করেই একদিন ভূত চাপল মাথায় - পত্রিকা বের করব । ‘… সেই শুরু । অক্টোবর ১৯৯০ সালে শারদ সংখ্যা দিয়ে পথচলা শুরু হল ‘ঋতুপর্ণ’র। পরপর দুমাস বের করার পর সেটা হয়ে গেল ত্রৈমাসিক। পুরো পাঁচশো কপি ছাপাতাম ‘মৈত্রী প্রকাশনী’ থেকে।...