Skip to main content

সমকালে প্রকাশিত রাজ্যের দুই প্রান্তীয় পত্রিকার নববর্ষ সংখ্যা



বিদ্যুৎ চক্রবর্তী

শারদীয় উন্মাদনার মতোই নববর্ষ আপামর বাঙালির কাছে এক বুকভরা আশার উৎসব। বছরভর সুখশান্তির প্রত্যাশায় মেতে ওঠে বাঙালি আপন সৌষ্ঠবে। আর সেই সৌষ্ঠবের এক নান্দনিক এবং বিশেষ অঙ্গ হচ্ছে বর্ষবরণ উপলক্ষে প্রকাশিত পত্রপত্রিকা। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখে অসমের দুই প্রান্ত থেকে প্রকাশিত দুটি উৎকৃষ্ট পত্রিকাসংখ্যা উন্মোচিত হয়ে এসেছে পাঠকের দরবারে। আয়োজনে, প্রত্যাশাপূরণে, গরজে ও নিবেদনে যৎপরোনাস্তি সচেষ্ট থেকেছেন উভয় পত্রিকার সম্পাদকবৃন্দ।

প্রান্তিক
নিম্ন অসমের কোকরাঝাড় থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয় নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের মুখপত্র এই পত্রিকা। এবারেও ঘটেনি ব্যত্যয়। ১/৪ ক্রাউন সাইজের ৭২ পৃষ্ঠা জুড়ে রয়েছে প্রবন্ধ, কবিতা, গল্পের সম্ভার
প্রবন্ধ বিভাগের শুরুতেই রয়েছে দু’দুটি ব্যতিক্রমী পরিবেশন। সদ্য প্রয়াত সাহিত্যিক শংকর-এর লেখালেখি নিয়ে রচিত দুটি প্রবন্ধই যথাযথ এবং তথ্যনির্ভর। বিপ্লব শর্মার ‘নগর-বাউল শংকর’ একটি সংগ্রহযোগ্য লেখা যেখানে প্রবন্ধকার প্রয়াত সাহিত্যিকের লেখার গভীরতা অনেকখানি ছুঁতে পেরেছেন। জয়দীপ দে’র ‘সাহিত্যিক শংকর - এক অসাধারণ কথাশিল্পী’ বহু চমকপ্রদ তথ্যে ভরপুর। নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের একনিষ্ঠ সদস্য ও এক সময় উচ্চ পদে আসীন থাকা ব্যক্তি শ্রী প্রমথ ভাওয়াল। সংস্থার বিভিন্ন অধিবেশনে যোগদানের এক হৃদয়স্পর্শী বর্ণনা লিখেছেন তিনি। সুখপাঠ্য। উল্কা মণ্ডল (বাড়ৈ)-এর নিবন্ধ ‘মূল্যায়ণের মুকুরে সুনীতিকুমার’। চমৎকার একটি ভূমিকা সহ আলোচ্য নিবন্ধে বরেণ্য ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম নিয়ে নির্মোহ আলোচনা করেছেন তিনি। স্বামী বিবেকানন্দের ‘কর্মযুগ’-এর অন্তর্গত একটি শ্লোকাংশ থেকে নেওয়া - ‘যন সাধন তন সিদ্ধি’ শিরোনামে একটি বিস্তৃত এবং অতীব সমৃদ্ধ প্রবন্ধ লিখেছেন প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য।
কবিতা বিভাগে রয়েছে একাধিক মনোলোভা কবিতা, রয়েছে বৈচিত্রের ছোঁয়াযাঁরা লিখেছেন তাঁরা হলেন - অসিত বরণ রায়, নীলদীপ চক্রবর্তী, নিখিল তালুকদার, ড. শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী, সঞ্জয় সোম, তপন কুমার সিনহা, বাবুল সূত্রধর, পান্না চক্রবর্তী, শেফালী ব্রহ্ম, জয়ন্ত কুমার দে, চিত্রা দাস ভৌমিক, দীক্ষিতা দে, চিন্ময় কুমার বল, গুডলী মিত্র, মণি ভট্টাচার্য, কানন কুমার পণ্ডিত ও দীপক কুমার বসু। গল্প বিভাগে রয়েছে মোট চারটি গল্প। চিরশ্রী দেবনাথের গল্প ‘মণিপুরের জঙ্ঘা’, বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর ‘কেউ ভোলে না কেউ ভোলে’, গৌতম বসুর ‘ধূমাবতী’ ও অশোক কুমার রায়ের ‘ভালোবাসার গল্প’। চিরশ্রীর গল্প অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং একপঠনে শেষ করার মতো জমাট। তবে মণিপুরের ভিতরগত কাণ্ডকারখানা আরও একটু ছুঁয়ে যাওয়ার অবকাশ হয়তো ছিল। তবু চিত্ত এতেই ভরিবে পাঠকের। গৌতম বসুর গল্প টানটান অনুসন্ধিৎসা ও হাস্যরসের ককটেল। সুলিখিত। এই বিভাগের শ্রেষ্ঠ গল্প লিখেছেন অশোক কুমার রায়। সংলাপে, বুনোটে, চলনে অনবদ্য।
শেষ পাতায় রয়েছে কিছু নিয়মিত শাখা সংবাদ। সব মিলিয়ে বিশাল না হলেও অনেকটাই জমজমাট নববর্ষ সংখ্যা।
‘প্রান্তিক’ - নববর্ষ সংখ্যা ১৪৩৩
নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন, কোকরাঝাড়
সম্পাদক - অশোক কুমার রায়
মূল্য - ২০ টাকা (মাত্র)
 

নকশি ক্যানভাস

দক্ষিণ অসমের প্রান্তীয় জেলা শ্রীভূমি থেকে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হল এই পত্রিকা। এই আত্মপ্রকাশ যাঁর মননপ্রসূত তিনি জনপ্রিয় কবি ও অঙ্কনশিল্পী ছন্দা দাম। A4 সাইজের ৫৬ পৃষ্ঠার পত্রিকার সম্ভারও বৈচিত্রময় সম্পাদকীয়তে প্রকাশ পেয়েছে সম্পাদকের আশা আকাঙ্ক্ষার কথা - ‘…বছর শেষের অঝোর বৃষ্টিতে ধুইয়ে নিয়ে গেছে যতসব পুরাতনের ছিটেফোঁটা, যা কিছু লেগেছিল গাছের মরা ডালে, চোখের গোপন কোলে, জানালার জং ধরা কার্ণিশে, মননের চোরাগলির গভীরে জেগে উঠেছে নতুন পৃথিবীগোপনে লালিত আমার স্বপ্নালু হৃদয়ের ডালি সাহিত্য পত্রিকানকশি ক্যানভাসজন্ম নিয়েছে কাব্য, ছন্দ, শব্দের পুষ্পস্তবকেকবি যখন সম্পাদক তখন হয়তো এমনই কাব্যিক হয়ে ওঠে সম্পাদকীয় প্রথম পৃষ্ঠায় ‘জীবনের ক্যানভাস’ বিভাগে ‘বর্ষীয়ান লেখক সম্পাদক কবি ড. দিলীপকান্তি লস্কর প্রসঙ্গে...’ শিরোনামে এক পৃষ্ঠার সচিত্র কবি ও তাঁর সৃষ্টির পরিচিতি সংখ্যাটির মান বৃদ্ধি করেছে নি:সন্দেহে।
কবিতা বিভাগে স্থানীয় কবিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে যথাযথভাবে এই বিভাগে সব মিলিয়ে রয়েছেন ড. সর্বাণী বিশ্বাস, রূপন মজুমদার, চন্দ্রিমা দত্ত, নারায়ণ মোদক, আদিমা মজুমদার, বনানী চৌধুরী, তুষার প্রসূন, চম্পা নাগ, . অর্পিতা রানী দাস, সুমা দাস, সায়ন্তন ধর, চান্দ্রেয়ী দেব, সুখেন দাস, রঞ্জিতা চক্রবর্তী, প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য, সুপায়ন দাস ও পূরবী গুপ্ত গুচ্ছ কবিতা রয়েছে ড. দেবাশীষ গুহঠাকুরতা ও পদ্মশ্রী মজুমদারের অসমিয়া ভাষার কবি উৎপল বরকটকীর কবিতার বাংলা অনুবাদ করেছেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।
এতগুলো কবিতার পর শুরু হয়েছে গদ্যপর্ব। প্রথমেই রয়েছে অণুগল্প। লিখেছেন ঝুমুর পাণ্ডে, মহুয়া চৌধুরী, মঞ্জরী হীরামণি রায় (২টি অণুগল্প। ‘পিলু’ গল্পটি বিশেষোল্লেখের দাবি রাখে।) ও দোলনচাঁপা দাসপালবরাকের চার কৃতী গল্পকার। এছাড়াও রয়েছে রূপালী দত্তের একটি অণুগল্প, প্রবন্ধ বিভাগের শেষেসুপাঠ্য প্রতিটি গল্পই। প্রবন্ধ বিভাগ তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। বাংলা সন ও ক্যালেন্ডার তথা মননে, আড়ম্বরে আবহমান নববর্ষ উদ্‌যাপন বিষয়ে রয়েছে একাধিক প্রবন্ধ। নানা আঙ্গিক ও ভিন্নতর বিস্তৃতিযুক্ত। লিখেছেন ড. শরদিন্দু ভট্টাচার্য (নিখাদ একটি উপসংহারযুক্ত), সৌমিত্র পাল, মৃন্ময় রায়, বিভাস দাস ও সুব্রত চৌধুরী। ড. শমিতা ভট্টাচার্যের ‘অনুভবে অভিজ্ঞতায় সিক্ত সিলেটি ডিটান’, দীপঙ্কর ঘোষের ‘প্রসঙ্গ : নব্য লেখক ও লিটল ম্যাগাজিন’, সোনালী গোস্বামীর ‘রবীন্দ্র কলমে নারী’ - তিনটিই বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ। সুলিখিত - পরিসরের তারতম্যে।
শারদীয় সংখ্যারই মতো একটি পূর্ণাঙ্গ নববর্ষ সংখ্যার রূপ দিতে গিয়ে এরপর বিভাগ অনুযায়ী রয়েছে যাঁদের লেখা তাঁরা হলেন - ‘রান্নাবান্না’ বিভাগে দেবলীনা রায় ও সুমা গোস্বামী, ‘চিঠিপত্র’ বিভাগে চিত্রা চ্যাটার্জী, ‘পুস্তক পর্যালোচনা’য় ডরোথি দাশ বিশ্বাস, ‘শব্দ জাল’-এ প্রগতি দে চৌধুরী। শেষের পাতায় রয়েছে ‘সম্পাদকের অন্তর কথা’ বিভাগে শিলচর থেকে প্রকাশিত ‘প্রতাপ’ পত্রিকার সম্পাদক শৈলেন দাস-এর নির্মোহ অভিজ্ঞতার বয়ান।
ছাপা, বর্ণবিন্যাস যথাযথ। বানান বিষয়ে অধিকতর সতর্কতার পরিসর ছিল। আত্মপ্রকাশ সংখ্যার সম্পাদকীয় গরজ, শেষ প্রচ্ছদের চিত্রাবলি ও সম্পাদককৃত নান্দনিক প্রচ্ছদের মাধ্যমে ভবিষ্যতে অধিকতর উৎকর্ষের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত লক্ষ করা যায়।
‘নকশি ক্যানভাস’
সম্পাদক - ছন্দা দাম
মূল্য - ১০০ টাকা 

Comments

Popular posts from this blog

গুয়াহাটিতে বিদ্বৎসমাজের দেশ, ধর্ম ও সমাজ ভাবনা বিষয়ক আলোচনা সভা

সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী।     মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...

প্রতিবাদী শরৎ

এ কেমন শরৎ এল এবার ? বর্ষা শেষের পক্ষকাল আগে থেকে চারপাশ জুড়ে যে অস্থিরতার সূত্রপাত তা এসে নতুন করে প্রকাশিত হল শরতের সূচনায় । বাংলাদেশের পর পশ্চিমবঙ্গে । এমন শরৎ আগে দেখিনি কখনও । আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের জন্য শরতের এক অন্যরকম মাহাত্ম্য । পেঁজা তুলোর মেঘের ফাঁকে ফাঁকে একদিকে যেমন রংবেরং - এর ঘুড়ি ওড়ে আকাশে অন্যদিকে তেমনই শিশিরসিক্ত সকালের ঘাসবনে লুটিয়ে পড়ে রাতের বৃন্তচ্যুত শিউলি মা দুর্গার চরণপথে । দিকে দিকে এক গন্ধমাতন আলোড়ন । নদীচরে , পাহাড়ের ঢালে গুচ্ছ কাশের দোলায় দোলে ওঠে অঙ্গ । কাশের বনে খেলে বেড়ায় নব্যদুর্গারা।   আলোড়ন মনাকাশ জুড়েও । মাতন মনন জুড়েও । দোলন আবালবৃদ্ধের অঙ্গে অঙ্গে । আকাশে বাতাসে কান পাতলে , চোখ রাখলেই মাতৃমুখ - মননসুখ । মা আসছেন । দুর্গতিনাশিনী মা । বরাভয় হাতে তিনি ঘুচিয়ে দেবেন যত দুঃখশোক । অসুরশূন্য হবে এ পৃথিবী । প্রতিবারই এভাবে শরৎ আসে পৃথিবীর বুকে , প্রতিবারই আমরা এমনই ভাবনায় ডুবে থেকে এমনই কল্পনায় করি দিনাতিপাত । অথচ চোখের সামন...

নিবেদিত সাহিত্যচর্চার গর্বিত পুনরাবলোকন - ‘নির্বাচিত ঋতুপর্ণ’

সাধারণ অর্থে বা বলা যায় প্রচলিত অর্থে একটি সম্পাদনা গ্রন্থের মানে হচ্ছে মূলত অপ্রকাশিত লেখা একত্রিত করে তার ভুল শুদ্ধ বিচার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সম্পাদনার পর গ্রন্থিত করা । যেমনটি করা হয় পত্রপত্রিকার ক্ষেত্রে । অপরদিকে সংকলন গ্রন্থের অর্থ হচ্ছে শুধুই ইতিপূর্বে প্রকাশিত লেখাসমূহ এক বা একাধিক পরিসর থেকে এনে হুবহু ( শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংশোধনসাপেক্ষে ) একত্রীকরণ । সেই হিসেবে আলোচ্য গ্রন্থটি হয়তো সম্পাদনা গ্রন্থ নয় , একটি সংকলন গ্রন্থ । বিস্তারিত জানতে হলে যেতে হবে সম্পাদক ( সংকলক ) সত্যজিৎ নাথের বিস্তৃত ভূমিকায় । পুরো ভূমিকাটিই যদি লেখা যেতো তাহলে যথাযথ হতো যদিও পরিসর সে সায় দেয় না বলেই অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো এখানে - ‘ সালটা ১৯৯০ । ‘ দৈনিক সোনার কাছাড় ’- এ একবছর হল আসা - যাওয়া করছি । চাকরির বয়স হয়নি তাই চাকরি নয় , এই ‘ আসা - যাওয়া ’ । …. হঠাৎ করেই একদিন ভূত চাপল মাথায় - পত্রিকা বের করব । ‘… সেই শুরু । অক্টোবর ১৯৯০ সালে শারদ সংখ্যা দিয়ে পথচলা শুরু হল ‘ঋতুপর্ণ’র। পরপর দুমাস বের করার পর সেটা হয়ে গেল ত্রৈমাসিক। পুরো পাঁচশো কপি ছাপাতাম ‘মৈত্রী প্রকাশনী’ থেকে।...