মানস কাম
ওই নদী মাঝে এমন তরণী বেয়ে কে যায় ?
অঙ্গে অঙ্গে
রূপমঞ্জরী নিয়ে তরণী ঘনায়।
এ কী ? কে তুমি অপরূপা, নদীমাঝে মৎসকন্যা ?
হে সুপুরুষ
আমি মৎস্যগন্ধা, মাঝি
আমি নগণ্যা।
তব রূপবিমুগ্ধ আমি ঋষি পরাশর কামজর্জর,
জলে ভাসে
আবরণ, দোলে
তরী, স্ত্রী-পুরুষ
দুস্তর।
ক্রোধানল
প্রজাপতি - ত্রিনয়ন, রোষানলে বিপন্ন ব্র্হ্মাণ্ড
মহামায়া ফেরালেন মুখ ছি ছি যত ঘেন্না কাণ্ড।
বিষাদিত মহাদেব, বিসর্জিত কোপ সর্বনাশা
অত্রিপত্নী অনুসূয়া গর্ভে - সৃজিত ক্রোধী দুর্বাসা।
যুগে যুগে ক্রোধ বিলি, ভস্ম ভার্যা আপন কন্দলী
ঔর্ব শাপে দর্পহত মুনি, উপলক্ষ অম্বরীষ বলী।
লোভে পাপ
দিন যায় দুঃখ বা সুখে, কাঠুরের সম্বল কুঠার
সাথি নিশিদিন আপন ভার্যা, সংসারে শান্তি অপার।
ধীরে ধীরে দানা বাঁধে লোভ স্বর্ণকুঠার গাথা শুনি
কাহিনির কাঠুরে, ছিল দূর গাঁয়ে, হয়েছে ধনী।
সোনার কুঠার আশে জলে ফেলে আপন সম্বল
বিধাতার অভিশাপে হারায় সকলই - কর্মফল।
মোহতিমির
যে যাই বলো ভাই আমার এ সোনার হরিণ চাই
জনকদুহিতা সীতা মোহাবেশে আবৃতা দুর্ভাগা তাই।
ছলধারী মারীচ, বনে মায়ামৃগ রূপ ধরে আসে
মায়ামোহে বন্দিনি সীতা - মন চলে স্বর্ণ সকাশে।
মোহ ছলে খর্ব হয় যত বাহুবল, বীরত্ব, পৌরুষ
অপহৃতা মোহান্ধ সীতা, রঘুকূল ললাট দোষ।
মদগর্ব
অস্তরবি ক্ষণে, ধ্বস্ত হরধনু, চলেন সীতা-রাম
কুঠার ধনুক হাতে উপস্থিত মুনি পরশুরাম।
মদগর্বে উগ্র মুনিবর - লুপ্ত ভেদাভেদ জ্ঞান
ভৃগুরাম-ধনু ভঙ্গে উচ্চারিত কঠোর আহ্বান।
হরিহর গুণময়, স্থাপিত ধনুকে গুণ অতঃপর
রুদ্ধ হল স্বর্গদ্বার, অতি দর্পে ত্রাসিত ঋষিবর।
মাৎসর্যময়
বনবাসী একলব্য, অনার্য নিষাদপুত্র মহান
দ্রোণাচার্য মূর্তিশিষ্য, লক্ষ্য করে শব্দভেদী বাণ।
পরশ্রীকাতর তিনি শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর - পাণ্ডব অর্জুন
গুরুকর্ণে আনে অনুযোগ - একলব্যে করো নির্গুণ।
গুরুদক্ষিণা ছলে গুরু কাটিলেন বুড়ো আঙুল
মহাভারত মাঝে নিদারুণ গাথা কলঙ্কসংকুল।
ওই নদী মাঝে এমন তরণী বেয়ে কে যায় ?
এ কী ? কে তুমি অপরূপা, নদীমাঝে মৎসকন্যা ?
তব রূপবিমুগ্ধ আমি ঋষি পরাশর কামজর্জর,
ক্রোধানল
প্রজাপতি - ত্রিনয়ন, রোষানলে বিপন্ন ব্র্হ্মাণ্ড
মহামায়া ফেরালেন মুখ ছি ছি যত ঘেন্না কাণ্ড।
বিষাদিত মহাদেব, বিসর্জিত কোপ সর্বনাশা
অত্রিপত্নী অনুসূয়া গর্ভে - সৃজিত ক্রোধী দুর্বাসা।
যুগে যুগে ক্রোধ বিলি, ভস্ম ভার্যা আপন কন্দলী
ঔর্ব শাপে দর্পহত মুনি, উপলক্ষ অম্বরীষ বলী।
লোভে পাপ
দিন যায় দুঃখ বা সুখে, কাঠুরের সম্বল কুঠার
সাথি নিশিদিন আপন ভার্যা, সংসারে শান্তি অপার।
ধীরে ধীরে দানা বাঁধে লোভ স্বর্ণকুঠার গাথা শুনি
কাহিনির কাঠুরে, ছিল দূর গাঁয়ে, হয়েছে ধনী।
সোনার কুঠার আশে জলে ফেলে আপন সম্বল
বিধাতার অভিশাপে হারায় সকলই - কর্মফল।
মোহতিমির
যে যাই বলো ভাই আমার এ সোনার হরিণ চাই
জনকদুহিতা সীতা মোহাবেশে আবৃতা দুর্ভাগা তাই।
ছলধারী মারীচ, বনে মায়ামৃগ রূপ ধরে আসে
মায়ামোহে বন্দিনি সীতা - মন চলে স্বর্ণ সকাশে।
মোহ ছলে খর্ব হয় যত বাহুবল, বীরত্ব, পৌরুষ
অপহৃতা মোহান্ধ সীতা, রঘুকূল ললাট দোষ।
মদগর্ব
অস্তরবি ক্ষণে, ধ্বস্ত হরধনু, চলেন সীতা-রাম
কুঠার ধনুক হাতে উপস্থিত মুনি পরশুরাম।
মদগর্বে উগ্র মুনিবর - লুপ্ত ভেদাভেদ জ্ঞান
ভৃগুরাম-ধনু ভঙ্গে উচ্চারিত কঠোর আহ্বান।
হরিহর গুণময়, স্থাপিত ধনুকে গুণ অতঃপর
রুদ্ধ হল স্বর্গদ্বার, অতি দর্পে ত্রাসিত ঋষিবর।
মাৎসর্যময়
বনবাসী একলব্য, অনার্য নিষাদপুত্র মহান
দ্রোণাচার্য মূর্তিশিষ্য, লক্ষ্য করে শব্দভেদী বাণ।
পরশ্রীকাতর তিনি শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর - পাণ্ডব অর্জুন
গুরুকর্ণে আনে অনুযোগ - একলব্যে করো নির্গুণ।
গুরুদক্ষিণা ছলে গুরু কাটিলেন বুড়ো আঙুল
মহাভারত মাঝে নিদারুণ গাথা কলঙ্কসংকুল।
Comments
Post a Comment