আমার বাবা কিংবা মায়ের মুখে
কখনও আমি দেশ হারানোর শোকগাথা শুনিনি।
দেশের বাড়ির গৌরবগাথাও নয়, দেখিনি চোখে
এসব নিয়ে শোকজলের আভাস।
দেখেছি নতুন মাটির প্রতি একবুক ভালোবাসা,
ঘরবার সাজিয়ে তোলার অনন্য সব প্রয়াস।
আমাদের বাড়িতে প্রায়ই আসত দিনমজুর -
নিশিকাকা আর রূপাই মিঞাঁ।
কাঁড়া-আকাঁড়া চাল থেকেই তাদেরও হতো
উদরপূর্তি, যেমন হতো আমাদের।
ধার করে সংসার চালিয়েও ধার দিতেন বাবা
আসত যারা কপর্দকহীন, ওপার থেকে তাড়া খেয়ে।
প্রতিবেশীদের নিয়ে সুখের সংসার গড়েছিলেন তাঁরা
রাত করে আড্ডা হতো, বসতো -
দশ-পঁচিশের আসর। হাস্যরসের যাপন -
শুনিনি কখনও হা-হুতাশ কিংবা কোনো দু:খব্যথা।
অথচ আজ কে বা কারা এসব লিখেই
হয়ে উঠলেন খ্যাতনামা সব দুঁদে লেখক কবি।
নিজেদের ঢোল নিজেই পিটিয়ে জীবন্ত সব ছবি।
আমি বুঝি না এই রহস্য, আমি নিতান্তই অজ্ঞজন -
দেশহীনতার কী ছিল কারণ, কারা ছিল দায়ী
তাদের বিরুদ্ধে একটি লাইনও কি -
লিখেছেন
কোনো পরিযায়ী ?
কখনও আমি দেশ হারানোর শোকগাথা শুনিনি।
দেশের বাড়ির গৌরবগাথাও নয়, দেখিনি চোখে
এসব নিয়ে শোকজলের আভাস।
দেখেছি নতুন মাটির প্রতি একবুক ভালোবাসা,
ঘরবার সাজিয়ে তোলার অনন্য সব প্রয়াস।
আমাদের বাড়িতে প্রায়ই আসত দিনমজুর -
নিশিকাকা আর রূপাই মিঞাঁ।
কাঁড়া-আকাঁড়া চাল থেকেই তাদেরও হতো
উদরপূর্তি, যেমন হতো আমাদের।
ধার করে সংসার চালিয়েও ধার দিতেন বাবা
আসত যারা কপর্দকহীন, ওপার থেকে তাড়া খেয়ে।
প্রতিবেশীদের নিয়ে সুখের সংসার গড়েছিলেন তাঁরা
রাত করে আড্ডা হতো, বসতো -
দশ-পঁচিশের আসর। হাস্যরসের যাপন -
শুনিনি কখনও হা-হুতাশ কিংবা কোনো দু:খব্যথা।
অথচ আজ কে বা কারা এসব লিখেই
হয়ে উঠলেন খ্যাতনামা সব দুঁদে লেখক কবি।
নিজেদের ঢোল নিজেই পিটিয়ে জীবন্ত সব ছবি।
আমি বুঝি না এই রহস্য, আমি নিতান্তই অজ্ঞজন -
দেশহীনতার কী ছিল কারণ, কারা ছিল দায়ী
তাদের বিরুদ্ধে একটি লাইনও কি -
Comments
Post a Comment