‘আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসে আমার কবিতাখানি…।’ কবিগুরু লিখেছিলেন এক গভীত প্রত্যয়কে বুকে ধরে। শতবর্ষ বড় কম কথা নয়। প্রখর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন কবি শতবর্ষ বলতে এক সুদীর্ঘ কালকেই নির্দেশিত করে গেছেন বলে ধারণা করেও বলা যায় - শুধু শতবর্ষ কেন যতদিন বাংলা ভাষা, সাহিত্য বেঁচে থাকবে ততদিন তাঁর কবিতা পঠিত হবে কবি, লেখক, পাঠক, শিল্পী, সাধারণ মানুষের কণ্ঠে। একই ধারায় এ কথাও বলা যায় হলফ করে যে, যুগ যতই পালটে যাক, ভাষাবৈচিত্রের, বানানের যতই পরিবর্তন হোক, বাংলা সাহিত্যের একমেবাদ্বিতীয়ম কথাশিল্পী শরৎচন্দের সৃষ্টিকেও সর্বসাধারণ একই আগ্রহ, একই ব্যাকুলতা নিয়ে যুগ যুগ ধরে আদৃত করে রাখবে হৃদয়ের চিরন্তন ভাব, ভালোবাসা, সুখ ও দু:খের আবেগে, আবহে। প্রাথমিক ভাবে সাহিত্যের মূল ধারায় গল্প, উপন্যাস ও কবিতাই সাধারণত ভাবনায় আসে যদিও প্রবন্ধ সাহিত্য ও নাটকও সমভাবেই প্রণিধানযোগ্য। এ কথা অনস্বীকার্য। কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর একগুচ্ছ উপন্যাস, ছোটগল্প, বড়গল্প ও প্রবন্ধের জন্য বহুচর্চিত ও বহুনন্দিত। বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে তৎকালীন সমাজের সার্বিক রূপ তিনি অত্যন্ত কুশলী রূপে ফুটিয়ে তুলেছেন। সত্যিকারের ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা